জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল উদ্ধার ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত – এলাকাবাসীর

0
455

বিশেষ প্রতিবেদন : জলাবদ্ধতা নিরসনে দখলকৃত খাল উদ্ধারে কোন বিকল্প নেই।  বেদখল হচ্ছে পানি নিষ্কাশন খাল গুলি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে এর ২২ নং ওয়ার্ডে অনেক খাল রয়েছে। বেশীর ভাগ খালের পাড় এখন  বাড়ীওলাদের দখলে।  এইচ এম সেন রোড মোজাম্মল হক এর বাড়ী হইতে ছালেনগর বাংলাদেশ পাড়া পযন্ত এই খালটির অনেক ঐতিয্য রয়েছে।  লোক মুখে শোনা যেত বা কালের বিবর্তনে স্বাক্ষী এই খালটি দিয়ে পাটের নৌকা সহ যাত্রী বাহী নৌকা চলাচল করতো কিন্তু বর্তমানে পচা নর্দমার গন্ধসহ  খালটি মনে হয় এক বাড়ী থেকে আরেক বাড়ী পা ডিঙ্গিয়ে যাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের এর মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভীর পানি নিশ্কাশের জন্য ব্যপক বরাদ্দ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এর বিভিন্ন খালসৌন্দর্য বর্ধন  করছে তাই এলকাবাসি অচিরেই এই খাল গুলো দখলদার থেকে উদ্ধার সহ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক করার আবেদন জানান।

নগরীতে চিহ্নিত খাল বেদখল, ত্রুটিপূর্ণ ড্রেনেজ ও আবর্জনার কারণে জলাবদ্ধতা বাড়ছে। এ সমস্যা নিরসনের জন্য দ্রুত খালগুলোকে দখলমুক্ত করতে হবে। সঙ্গে খালের গভীরতা, পরিচ্ছন্নতা ও একটি সমসাময়িক মাস্টার প্ল্যান গ্রহণের জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে। সম্প্রতি নগরীর জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। যার জন্য সবাই সিটি করপোরেশনকে একক দায়ী করে থাকেন। এ সমস্যা নিরসনে সিটি করপোরেশনের কতটুকু করণীয় এবং সমস্যা নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নির্ধারণ করতে হবে

যেসব এলাকায় সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা থাকেন সেখানে ওয়াসার লোকেরা খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করেন। আবার কোথাও ড্রেন থেকে ময়লা তুলে পাশে রেখে তারা চলে যান। খালগুলোতে ওয়াসা কচুরিপানা পরিষ্কার করে, এ ছাড়া আর কিছুই করে না। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি মাস্টার প্ল্যান করতে হবে। ওয়াসার কাছে যে মাস্টার প্ল্যানটি আছে তা রিলেভেন্ট (সম্পর্কিত) না। নাসিক’এ প্রতিদিন বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ৮ হাজার টন বর্জ্য বের হয়। সব কিছুই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করতে হয় সিটি করপোরেশনকে।

জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেক দিনের। বেদখল খাল উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকাবাসী।